MP4 থেকে MP3

আপনার ডিভাইসেই চলে · আপনার ফাইল কখনও আপনার ডিভাইস ছেড়ে যায় না।

ভিডিও ফাইল থেকে শুধু শব্দটুকু বের করে MP3 করে নিন — ক্লাসের লেকচার, ইন্টারভিউ, পডকাস্ট বা যে ভয়েস রেকর্ডিং কেউ ভিডিও আকারে পাঠিয়েছে।

ভিডিওটা আপনার ব্রাউজারেই খোলা হয় আর অডিও সেখানেই MP3 করা হয়, তাই ফাইল ডিভাইস ছেড়ে যায় না। মিটিং বা ব্যক্তিগত আলাপের রেকর্ডিংয়ের বেলায় এটাই আসল কথা।

বড় ভিডিওতে সময় বেশি লাগে, আর কত বড় ফাইল চলবে তা ঠিক করে আপনার ডিভাইসের মেমোরি — কোনো সার্ভারের কোটা নয়।

MP4 থেকে MP3: কীভাবে করবেন

  1. MP4 ভিডিও দিন।
  2. «MP3-এ কনভার্ট করুন» চাপুন; অডিও ট্র্যাকটা বের করে MP3 করা হয়।
  3. MP3 ডাউনলোড করুন।

সমর্থিত ফরম্যাট ও সীমা

ইনপুট
MP4 ও অন্যান্য ভিডিও ফাইল
আউটপুট
MP3 অডিও
ফাইল সাইজ
সীমা আপনার ডিভাইসের মেমোরি, কোনো সার্ভার কোটা নয়
যেখানে চলে
আপনার ব্রাউজারেই — আপলোড ছাড়া

যার জন্য নয়: একটা ভিডিও থেকে আলাদা আলাদা কয়েকটা সাউন্ড ট্র্যাক বের করা — একটা MP3-এ থাকে একটাই সাউন্ড ট্র্যাক, ভিডিওর মূল ট্র্যাকটা।

মানের সেটিং কীভাবে বাছবেন

মানের স্লাইডার চলে 48 থেকে 256 kbps পর্যন্ত, শুরু হয় 128-এ। MP3 লেখা হয় স্থির বিটরেটে, তাই সাইজ নির্ভর করে শুধু সেটিং আর দৈর্ঘ্যের ওপর: 64 kbps-এ মিনিটে মোটামুটি 0.5 MB, 128 kbps-এ মোটামুটি 1 MB, 192 kbps-এ মোটামুটি 1.4 MB। 64 kbps-এ এক ঘণ্টা হয় 30 MB-র কম।

MP4-এর ভেতরের শব্দ প্রায় সবসময় আগে থেকেই কমপ্রেস করা থাকে, সাধারণত AAC-তে, তাই এটা দ্বিতীয়বার কমপ্রেশন। উঁচু সেটিং যা আছে তার বেশিটা ধরে রাখে, কিন্তু ভিডিওর নিজের এনকোডিংয়ে যা বাদ পড়েছে তা ফেরাতে পারে না। কথাবার্তার জন্য 64 বা 96 kbps যথেষ্ট; গানের জন্য 160 kbps বা তার বেশি।

রেকর্ড করা কথার জন্য মনো না স্টেরিও

MP3-এ সাইজ ঠিক করে শুধু বিটরেট, তাই একই সেটিংয়ে «মনোতে নামিয়ে দিন» দিলে ফাইলের সাইজ একই থাকে। বদলায় বিটগুলো কীভাবে খরচ হয়: দুই চ্যানেলের গড় করে একটা চ্যানেল বানানো হয়, আর পুরো বিটরেটটা সেই একটার ভাগে যায়। 48 বা 64 kbps-এ কণ্ঠ মনোতে একই সেটিংয়ের স্টেরিওর চেয়ে পরিষ্কার শোনায়, আর সাশ্রয়টা আসে ওই কম সেটিং থেকেই।

কণ্ঠ শুধু একদিকে রেকর্ড হলেও মনো কাজে লাগে, যেমন কিছু ক্লিপ-অন মাইক্রোফোনে হয়: গড় করার পর সেটা দুই কানেই শোনা যায়, একটু আস্তে। গানের জন্য স্টেরিও রাখুন।

ভিডিওর শব্দের কী হয়

ব্রাউজারের নিজের ডিকোডার অডিও ট্র্যাকটাকে কাঁচা স্যাম্পলে খুলে ফেলে; ছবি ডিকোড করা হয় না। তারপর পাতার ভেতরে চলা একটা MP3 এনকোডার ফাইলটা লেখে। ব্রাউজার ট্র্যাকটা ডিকোড করতে না পারলে — যেমন AC-3 বা DTS শব্দ, MKV, AVI বা VOB ফাইলের অডিও, কিংবা AAC ছাড়া বানানো ব্রাউজারে AAC — সাইটের ভিডিও ইঞ্জিন আগে সেটাকে 44.1 kHz স্টেরিওতে বের করে, তারপর একই এনকোডার কাজ ধরে। MP3 ভিডিওর ফাইলের নামটাই পায়, আর তাতে টাইটেল বা আর্টিস্ট ট্যাগ থাকে না। এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ পর্যন্ত নিখুঁত কাট আর হালকা ফেডের জন্য পুরো-সেকেন্ডের ট্রিম স্লাইডারের বদলে «কাটুন» ট্যাব ব্যবহার করুন।

অডিও না পেলে, বা লম্বা ভিডিও লোড না হলে

ফাইলে এখানে পড়ার মতো কোনো আওয়াজ নেই — এই বার্তাটা আসে কেবল দুটো ডিকোডারই চেষ্টা করার পর। সাধারণ কারণ হলো শব্দ ছাড়াই রেকর্ড করা ভিডিও, যেমন অনেক স্ক্রিন রেকর্ডিং, অথবা নষ্ট বা আধা-ডাউনলোড হওয়া ফাইল।

আসল সীমা হলো মেমোরি। পুরো ভিডিও আর তার খুলে ফেলা শব্দ একসঙ্গে মেমোরিতে থাকে, আর এক ঘণ্টার স্টেরিও শব্দ খুললে, কোনো MP3 লেখার আগেই, এক গিগাবাইটের বেশি কাঁচা স্যাম্পল হয়ে যায়। লম্বা ভিডিওতে ফোন আটকে গেলে /trim-video দিয়ে সেটাকে টুকরো করুন, তারপর টুকরোগুলো /merge-audio পাতায় দিন, যেটা সেগুলো একটা একটা করে পড়ে আর একটাই MP3 লেখে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

MP4 ছাড়া অন্য ভিডিও চলবে?
চলবে। MOV, MKV, AVI, WebM আর আরও অনেক ভিডিও থেকে অডিও নেওয়া যায়; ব্রাউজার নিজে যেটার অডিও খুলতে পারে না (যেমন MKV, AVI বা VOB-এর ভেতরের শব্দ), সেটা সাইটের ভিডিও ইঞ্জিন বের করে দেয়।
আমার ফাইল কি কোনো সার্ভারে আপলোড হয়?
না। পুরো কাজটা হয় আপনার ব্রাউজারেই, আপনার নিজের ফোন বা কম্পিউটারের ক্ষমতায়। ফাইল ডিভাইস ছেড়ে কোথাও যায় না। কোনো টুল একবার ব্যবহার করা হয়ে গেলে ইন্টারনেট ছাড়াও সেটা চলে — ভিডিও, লেখা চেনা আর ব্যাকগ্রাউন্ড সরানোর টুল প্রথমবার নিজের ইঞ্জিন এই সাইট থেকে নামিয়ে নেয়, তারপর ব্রাউজার সেটা রেখে দেয়।
অডিওর মান কেমন হবে?
ভিডিওর ভেতরের অডিওর চেয়ে MP3 ভালো হতে পারে না, আর MP3-এ নতুন করে এনকোড হওয়ায় সামান্য হারায়। একবার শুনে দেখে নিন।
YouTube-এর লিংক দেওয়া যাবে?
না। এই পাতা শুধু আপনার ডিভাইসে থাকা ভিডিও ফাইল নেয়।
ফোনে বড় ভিডিও আটকে যাচ্ছে?
ব্রাউজারের মেমোরিই সীমা। আগে ভিডিও ট্রিম টুল দিয়ে দরকারি অংশটুকু কেটে নিন; পুরোটা দরকার হলে কয়েক টুকরো করে অডিও জোড়া লাগানোর টুলে দিন, সেটা টুকরোগুলো একটা একটা করে পড়ে একটাই MP3 লেখে।

সম্পর্কিত টুল

অডিও বিভাগে আরও

এই পাতা অন্য ভাষায়: English · العربية · Deutsch · Français · Español · Русский · Português · 中文 · हिन्दी · Türkçe · עברית · فارسی · اردو · Bahasa Indonesia