আপনার ডিভাইসেই চলে · আপনার ফাইল কখনও আপনার ডিভাইস ছেড়ে যায় না।
ARW হলো Sony-র Alpha ক্যামেরাগুলোর RAW ফরম্যাট — α7, α7R, α7S, α9 আর α1 লাইন, α6000 সিরিজ আর RX কমপ্যাক্ট। এই পাতা ARW ফাইল আপনার নিজের ডিভাইসেই ডেভেলপ করে আর আপনার বাছা মান বা সাইজে JPG দেয় — তাই একটা শুটের ছবি RAW কনভার্টার ছাড়াই ক্লায়েন্ট বা ফরমে যেতে পারে।
সেন্সরের ডেটা ডিকোড হয় — Sony-র 14-বিট আনকমপ্রেসড আর কমপ্রেসড RAW দুটোই — ডিমোজেইক হয়, ক্যামেরার সেট করা হোয়াইট ব্যালান্স বসে, ওই বডির প্রোফাইল দিয়ে রং সামলানো হয় আর Sony ফাইলের ভেতরে যে JPEG রাখে তার সঙ্গে মেলানো হয়। কিছুই আপলোড হয় না; 24-মেগাপিক্সেলের একটা ফাইলে এক মিনিট পর্যন্ত লাগে।
যার জন্য নয়: 2006-এর DSLR-A100-এর ফাইল, যার পুরোনো ARW ধরনটা পড়া হয় না; আর RAW এডিট করা, যা এই পাতায় নেই।
RAW ফাইল এখনো ছবি নয়: সেটা সেন্সরের পড়া মান। রিডার ক্যামেরা যেভাবে করত সেভাবেই আপনার ডিভাইসে সেটা ডেভেলপ করে — সেন্সরের ফিল্টার যে রং বাদ দিয়েছিল সেগুলো পূরণ করে (ডিমোজেইকিং), ছবি তোলার সময় ক্যামেরা যে হোয়াইট ব্যালান্স বেছেছিল সেটা বসায়, ক্যামেরার রংকে একটা প্রোফাইল দিয়ে ম্যাপ করে, আর ফলটাকে ফাইলের ভেতরে ক্যামেরার রাখা ছোট JPEG-এর সঙ্গে মেলায় — তাই তৈরি ছবিটা ক্যামেরার নিজের JPEG-এর মতো দেখায়, ফ্যাকাশে ধূসর RAW রেন্ডারের মতো নয়। ফল একটা 8-বিট sRGB ছবি, যেটাকে তারপর JPG-র সাধারণ সেটিং এনকোড করে।
ডেভেলপ করা আসল পরিশ্রমের কাজ: 24-মেগাপিক্সেলের একটা ফাইলে ল্যাপটপে প্রায় আধ মিনিট লাগে, ফোনে আরও বেশি, আর চলার সময় পাতা সেটা বলে দেয়। ব্যাচ ডেভেলপ হয় একটার পর একটা, তাই পঞ্চাশ ছবির একটা কার্ড মানে এক কাপ চা, ক্র্যাশ নয় — পরের কোনো ফাইল ব্যর্থ হলেও আগে শেষ হওয়া প্রতিটা ফাইল থাকে।
ARW একটা TIFF-ভিত্তিক RAW। Sony সেন্সরের ডেটা লিখেছে দুইভাবে: একটা কমপ্রেসড রূপ, যেটা প্রতিটা সারিকে 11-বিট মান আর 7-বিট ডেল্টায় প্যাক করে — পুরোনো বডিতে এটাই একমাত্র অপশন, অনেক বডিতে এখনো ডিফল্ট — আর নতুন বডিতে 14-বিট আনকমপ্রেসড RAW, যেটা দ্বিগুণ বড়। দুটোই এখানে সেন্সরের ডেটা থেকে ডিকোড হয়; যাচাই করা ফাইলটা ছিল α7 III-এর 50 MB-র একটা আনকমপ্রেসড ফ্রেম। ক্যামেরার রঙের বর্ণনা আর হোয়াইট ব্যালান্স ফাইল থেকে পড়া হয়, তারপর ফলটা Sony-র চেহারার জন্য ভেতরের JPEG-এর সঙ্গে মেলানো হয়।
ব্যতিক্রম প্রথম Alpha, 2006-এর DSLR-A100, যার ফাইল পরের প্রতিটা ARW-এর ভাগ করা কাঠামোর আগের; ওগুলো পড়া হয় না, আর ভুল ছবি ফেরত দেওয়ার বদলে পাতা সেটা সাদা কথায় বলে দেয়।
JPG-র সেটিং অন্য সব ছবির পাতার মতোই: মানের স্লাইডার শুরু হয় 85-এ, সর্বোচ্চ প্রস্থ ছবিকে অনুপাত ঠিক রেখে ছোট করে, আর KB-তে সাইজের সীমা দিলে সীমার নিচে সবচেয়ে ভালো মানটা খোঁজা হয় — ভিসার পোর্টাল বা চাকরির সাইটের যে সেটিং লাগে। ফলের কার্ডে থাকে তৈরি ফাইলের সাইজ, ব্যবহৃত মান, আর ডেভেলপ করা ছবির সঙ্গে মিলের স্কোর।
JPG পিক্সেল থেকে নতুন করে বানানো হয়, তাই EXIF — ক্যামেরা, লেন্স, এক্সপোজার, তারিখ, GPS — তাতে কপি হয় না। খুব বড় ছবি ফোনে প্রায় 16 মেগাপিক্সেলের ওপরে আর কম্পিউটারে 60-এর ওপরে ছোট করা হয়, আসল আর পাওয়া মাপ দেখিয়ে; এর নিচে সবকিছুর প্রতিটা পিক্সেল থাকে।
এই পাতা অন্য ভাষায়: English · العربية · Deutsch · Français · Español · Русский · Português · 中文 · हिन्दी · Türkçe · עברית · فارسی · اردو · Bahasa Indonesia