সর্বশেষ হালনাগাদ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি, বিশ্ববিদ্যালয় বা চাকরির পোর্টাল প্রায় সবসময় একটা ফাইলকে একই চারটা দিক থেকে যাচাই করে: বাইটে তার সাইজ, তার ধরন (ফরম্যাট), ছবি হলে পিক্সেলে তার মাপ, আর কখনো কখনো তার নাম। কোনটায় আটকাল, এরর মেসেজ তা খুব কমই বলে — “invalid file” মানে এর যেকোনোটা হতে পারে — তাই আবার চেষ্টা করার আগে চারটাই দেখে নিন।
এক কিলোবাইট মানে 1,000 বাইটও হতে পারে, 1,024 বাইটও — দুটোই রোজকার ব্যবহারে চলে। তাই “100 KB” সীমা মানে হয় 1,00,000 বাইট, নয়তো 1,02,400 বাইট; কোনটা, তা নির্ভর করে পোর্টালটা কীভাবে বানানো তার ওপর — আর পোর্টাল নিজে সেটা বলে না।
আপনার নিজের কম্পিউটারও গোলমাল বাড়ায়। Windows-এর File Explorer হিসাব করে 1,024-এর ব্লকে, কিন্তু লেখে সেই “KB”-ই; আর Mac হিসাব করে হাজারে। 1,01,000 বাইটের একটা ছবি Windows-এ দেখায় মোটামুটি 99 KB — আপনার স্ক্রিনে সীমার নিচে, অথচ যে পোর্টাল হাজারে গোনে সেখানে সীমার ওপরে।
নিরাপদ নিয়ম হলো ছোট সংখ্যাটার নিচে থাকা। এই সাইটের compress টুলগুলোতে 100 KB লিখলে টার্গেট হয় 1,00,000 বাইট, তাই পোর্টাল যেভাবেই গুনুক, ফাইলটা পাস করে। পোর্টালে “সর্বোচ্চ 100 KB” লেখা থাকলে ঠিক সীমার দাগে না থেমে কয়েক কিলোবাইট নিচে থাকার চেষ্টা করুন।
photo.heic-এর নাম বদলে photo.jpg করলে ফাইলটা বদলায় না। অনেক পোর্টাল ফাইলের নাম নয়, ফাইলের প্রথম কয়েকটা বাইট দেখে — তারপর ফাইলটা ফিরিয়ে দেয়, কিংবা নিয়ে নেয় কিন্তু যে কর্মকর্তা আপনার আবেদন দেখবেন তাঁর সামনে সেটা খোলে না।
JPG আর JPEG একই ফরম্যাট, শুধু বানান দুই রকম; একটা চাইলে অন্যটাও চলে। HEIC আলাদা জিনিস: iPhone ডিফল্ট হিসেবে এই ফরম্যাটেই ছবি তোলে, আর অনেক পোর্টাল ও পুরোনো Windows কম্পিউটার সেটা খুলতে পারে না। HEIC থেকে JPG দিয়ে ঠিকভাবে কনভার্ট করুন, অথবা পরের ছবিগুলোর জন্য iPhone-এর ক্যামেরা সেটিংসে সবচেয়ে কম্প্যাটিবল ফরম্যাটটা বেছে নিন (ইংরেজি মেনুতে Settings › Camera › Formats › Most Compatible)।
ডকুমেন্টের বেলায় “শুধু PDF” মানে আসল PDF। পাতার ছবি JPG হিসেবে সেভ করে দিলে সেটা PDF-এর জায়গায় চলে না; JPG থেকে PDF একটা বা কয়েকটা ছবিকে মিলিয়ে একটা PDF বানিয়ে দেয়।
ছবির নিয়ম প্রায়ই মিলিমিটারে লেখা থাকে, কারণ সেগুলো এসেছে ছাপানো পাসপোর্ট ছবি থেকে — সবচেয়ে প্রচলিত মাপ 35 × 45 mm। কিন্তু আপলোড মাপা হয় পিক্সেলে। দুইয়ের মধ্যে সেতু হলো DPI (dots per inch, প্রতি ইঞ্চিতে কয়টা বিন্দু): পিক্সেল = মিলিমিটার ÷ 25.4 × DPI। 300 DPI-তে 35 × 45 mm মানে 413 × 531 পিক্সেল।
ফাইলের ভেতরে লেখা DPI সংখ্যাটা বদলালে নিজে থেকে কিছুই বদলায় না: 800 পিক্সেল চওড়া ছবি 800 পিক্সেলই থাকে। পোর্টাল সর্বনিম্ন বা সর্বোচ্চ পিক্সেল মাপ চাইলে ছবিটাকেই রিসাইজ করতে হবে। আর যদি একটা আকৃতি চায় — বর্গাকার, বা 35 বাই 45 — তাহলে টেনে লম্বা-চওড়া না করে ওই আকৃতিতে crop করতে হবে; নইলে মুখ বেঁকে যায়, আর সফটওয়্যার পার করে দিলেও যিনি দেখবেন তিনি ছবিটা বাতিল করেন।
ভিসা আর পাসপোর্টের ছবির জন্য ভিসা ফটো মেকার-এ তালিকার প্রতিটা দেশের পিক্সেল, সাইজ আর আকৃতির নিয়ম দেওয়া আছে, সঙ্গে প্রতিটা নিয়ম শেষবার কবে অফিশিয়াল উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়েছে তার তারিখ।
ক্রমটা গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটা ধাপে বাইট কমে, কিন্তু পোর্টাল যা দেখে তাতে হাত পড়ে না; কেবল শেষ ধাপের ফলটাই চোখে দেখা যায়:
Word ডকুমেন্ট থেকে বানানো PDF সাধারণত ছোট হয়, কারণ তার অক্ষরগুলো লেখা হিসেবে জমা থাকে। কাগজ স্ক্যান করে বা ছবি তুলে বানানো PDF আসলে কয়েকটা ছবির সমষ্টি — আর ছবিই PDF-কে ভারী করে।
ছাপা ডকুমেন্টের জন্য 150 থেকে 200 DPI-তেই আরামে পড়া যায়, আর সাদা-কালো পাতা রঙিনে স্ক্যান করার দরকার নেই। পোর্টালে আলাদা আলাদা আপলোডের ঘর থাকলে সব এক ফাইলে জোড়া না দিয়ে প্রতি ঘরে একটা করে ডকুমেন্ট দিলে সীমায় আঁটানো প্রায়ই সহজ হয়। PDF Compress-এ টার্গেট সাইজ লিখে দেওয়া যায়, আর Split PDF লম্বা ফাইলকে কয়েক ভাগে আলাদা করে।
স্বাক্ষরের ঘরটাই সাধারণত সবচেয়ে কড়া — ভারতের কিছু পরীক্ষা আর ব্যাংকের পোর্টাল 10 থেকে 20 KB-র JPG চায়। সাদা কাগজে গাঢ় কালিতে সই করুন, দিনের আলোয় ছায়া ছাড়া ছবি তুলুন, সইয়ের চারপাশে আঁটসাঁট করে crop করুন, তারপর ছোট করুন। স্বাক্ষর রিসাইজ শেষের দুটো ধাপ ওই ধরনের পোর্টালের চাওয়া সাইজ পর্যন্ত করে দেয়।
এই পাতা অন্য ভাষায়: English · العربية · Deutsch · Español · فارسی · Français · עברית · हिन्दी · Bahasa Indonesia · Português · Русский · Türkçe · اردو · 中文