ভিডিও থেকে GIF

আপনার ডিভাইসেই চলে · আপনার ফাইল কখনও আপনার ডিভাইস ছেড়ে যায় না।

যে অংশটা চান সেটা বেছে নিন, ফ্রেম রেট আর প্রস্থ ঠিক করুন, আর হাতে পান একটা অ্যানিমেটেড GIF। অংশটা ছোট রাখা জরুরি: GIF প্রতিটা ফ্রেম আলাদা করে জমা রাখে, তাই সাধারণত কয়েক সেকেন্ডই যুক্তিসঙ্গত সীমা।

ফ্রেমগুলো লেখার আগে রঙের প্যালেট বানানো হয় আপনার ক্লিপ থেকেই, বাঁধা কোনো রঙের সেট দিয়ে নয়। ক্লিপের নিজের রং থেকে বানানো প্যালেট বাঁধা প্যালেটের সেই ধাপে ধাপে রং ভাঙার দাগ অনেকটাই এড়ায়।

ফ্রেম রেট আর প্রস্থ কমালে সাইজ অনেকখানি কমে — বেশিরভাগ ক্লিপে সেকেন্ডে 10–15 ফ্রেমই ভালো দেখায়, আর তার সাইজ 30-এর তুলনায় সামান্যই।

ভিডিও থেকে GIF: কীভাবে করবেন

  1. ভিডিও দিন।
  2. অংশটা কোথা থেকে শুরু আর কত সেকেন্ড চলবে লিখুন — GIF ছোট হওয়াই ভালো।
  3. প্রস্থ আর ফ্রেম রেট বাছুন; দুটোই ফাইলের সাইজ অনেকটা ঠিক করে দেয়।
  4. «GIF বানান» চেপে GIF ডাউনলোড করুন।

সমর্থিত ফরম্যাট ও সীমা

ইনপুট
MP4, MOV, WebM ও অন্যান্য ভিডিও
আউটপুট
অ্যানিমেটেড GIF
অংশ
শুরুর সময় আর সেকেন্ডে দৈর্ঘ্য, সর্বোচ্চ 60
নিয়ন্ত্রণ
মাপ আর ফ্রেম রেট
শব্দ
বাদ যায় — GIF-এ শব্দ থাকে না
যেখানে চলে
আপনার ব্রাউজারেই — আপলোড ছাড়া

যার জন্য নয়: লম্বা ক্লিপ — GIF জায়গা খরচে অদক্ষ ফরম্যাট, কয়েক সেকেন্ডেই কয়েক MB হয়ে যেতে পারে।

কনভার্টের আগেই সাইজের আন্দাজ

GIF প্রতিটা ফ্রেমের জন্য আলাদা একটা ছবি রাখে, তাই ছবির সংখ্যা হলো ফ্রেম রেট গুণ দৈর্ঘ্য। শুরুর মান — সেকেন্ডে 12 ফ্রেম, 5 সেকেন্ড — দেয় 60টা ছবি; সেকেন্ডে 24 ফ্রেমে 20 সেকেন্ড দেয় 480টা। প্রস্থের স্লাইডার চলে 160 থেকে 960 পিক্সেল, শুরু 480-এ, আর উচ্চতা ভিডিওর অনুপাত মেনে চলে: 480 চওড়া 16:9 ক্লিপ 270 উঁচু, খাড়া ফোন-ক্লিপ 853 উঁচু। প্রস্থ অর্ধেক করলে প্রতিটা ছবিতে পিক্সেল থাকে চার ভাগের এক ভাগ।

সাইজ ঠিক করে আরেকটা জিনিস: ছবির কতটা বদলায়। এক ফ্রেম থেকে পরের ফ্রেমে যেখানে কিছু বদলায় না, সেখানে শুধু বদলানো আয়তক্ষেত্রটুকু নতুন করে আঁকা হয়, তাই স্ক্রিন রেকর্ডিং বা স্থির ক্যামেরার শট ছোট থাকে, আর হাতে ধরা ক্যামেরার শট — যেখানে প্রতিটা পিক্সেল নড়ে — প্রতি ফ্রেমে প্রায় পুরো একটা ছবির খরচ নেয়।

ভিডিওর নিজের চেয়ে বেশি ফ্রেম রেট দিলে মসৃণতা বাড়ে না, ফ্রেম শুধু দুবার করে আসে। ভিডিওর নিজের চেয়ে বেশি প্রস্থ ব্যবহারই হয় না: GIF কখনো ভিডিওর চেয়ে চওড়া বানানো হয় না, কারণ বড় করলে শুধু ঝাপসা ভাব আর বাইট বাড়ে।

রং বাছা হয় কীভাবে

GIF বড়জোর 256টা রং দেখাতে পারে। অংশটা দুবার পড়া হয়: প্রথমবার তা থেকে প্যালেট বানানো হয়, দ্বিতীয়বার সেই প্যালেটে প্রতিটা ফ্রেম আঁকা হয়। প্যালেট গোনা হয় শুধু ফ্রেম থেকে ফ্রেমে বদলানো পিক্সেল থেকে, তাই ব্যাকগ্রাউন্ড স্থির থাকলে রংগুলো যায় যা নড়ছে তার ভাগে, যেমন মুখ বা হাত।

পুরো GIF ওই একটা প্যালেটই ভাগ করে নেয়। যে অংশ অন্ধকার ঘর থেকে ঝলমলে রাস্তায় কাটে, তাকে রংগুলো দুই দৃশ্যে ভাগ করতে হয়; এক দৃশ্যের অংশ সবগুলো রং একাই পায়। মসৃণ জায়গাগুলো ভরানো হয় সূক্ষ্ম, নিয়মিত বিন্দুর নকশায়, যা ফ্রেম থেকে ফ্রেমে ঝিকমিক না করে এক জায়গায় স্থির থাকে। তৈরি GIF অবিরাম ঘুরে ঘুরে চলে।

অংশ বাছা

শুরু আর দৈর্ঘ্য লেখা হয় সেকেন্ডে, তাই দেড় মিনিট মানে 90। দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ 60 সেকেন্ড। এই মোডে কোনো প্লেয়ার নেই, তাই ঠিক কোন সেকেন্ড চান খুঁজতে একই ভিডিও এই টুলেরই «ট্রিম» মোডে খুলুন (/trim-video), যার প্লেয়ার চলতি সময় দেখায়।

কাট হয় ঠিক ফ্রেম ধরে। ইঞ্জিন আপনার শুরুর আগের কি-ফ্রেমে লাফ দেয় আর সেখান থেকে সামনে ডিকোড করে, তাই লম্বা সিনেমার শেষের দিকের অংশের জন্য আগে পুরো সিনেমা ডিকোড করতে হয় না। আড়াআড়ি জমা থাকা ফোন-ক্লিপ বেরোয় সোজা হয়ে, আর প্রস্থ খাটে সেই সোজা ছবির ওপর।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

আমার ফাইল কি কোনো সার্ভারে আপলোড হয়?
না। পুরো কাজটা হয় আপনার ব্রাউজারেই, আপনার নিজের ফোন বা কম্পিউটারের ক্ষমতায়। ফাইল ডিভাইস ছেড়ে কোথাও যায় না। কোনো টুল একবার ব্যবহার করা হয়ে গেলে ইন্টারনেট ছাড়াও সেটা চলে — ভিডিও, লেখা চেনা আর ব্যাকগ্রাউন্ড সরানোর টুল প্রথমবার নিজের ইঞ্জিন এই সাইট থেকে নামিয়ে নেয়, তারপর ব্রাউজার সেটা রেখে দেয়।
আমার GIF এত বড় কেন?
GIF-এ নড়াচড়ার কোনো কমপ্রেশন নেই, তাই সাইজ বাড়ে দৈর্ঘ্য, ফ্রেম রেট আর প্রস্থের সঙ্গে। অংশটা ছোট করুন, সেকেন্ডে 10–12 ফ্রেমে নামান, আর প্রস্থ কমান।
শব্দ থাকবে?
GIF-এ কোনো শব্দ থাকে না। শব্দ দরকার হলে MP4-এর টুলগুলো ব্যবহার করুন।

সম্পর্কিত টুল

ভিডিও বিভাগে আরও

এই পাতা অন্য ভাষায়: English · العربية · Deutsch · Français · Español · Русский · Português · 中文 · हिन्दी · Türkçe · עברית · فارسی · اردو · Bahasa Indonesia